কবিতা পুরুষ মানুষ হয়েছি তো— হাত ভরে দিতে হবে সবাইকে, নিজের মুঠো শূন্য হলেও হাসতে হবে পৃথিবীতে। আয় করতে হবে দু’হাতে, ঘাম ঝরাতে হবে রক্তের মতো; কারণ আমার ক্লান্তির চেয়ে
কবিতা বিদ্যুৎ তুমি কারেন্ট কেন, কারেন্ট হয়েও বেরসিক? আসবে বলে দাও যে কথা, শেষে দেখি—বড্ড ফাঁকিবাজ ঠিক! কখনো আসো, কখনো যাও, কখনো আসো রাতের শেষে— সুইচটা টিপে বসে থাকি, তুমি
আমি দেখেছি— রাজপথের পিচ রক্তে লাল হতে। আমি দেখেছি— একটি বুলেট একটি বুকই শুধু ভেদ করে না, ভেদ করে— একটি মায়ের ঘুম, একটি বাবার স্বপ্ন, একটি জাতির বিবেক। আমি
বর্ষা আসে— প্রেমিকার মতো নীরব পায়ে, কোনো শব্দ না করেই সবুজের কপালে এঁকে দেয় জলের সিঁদুর। কদমের গন্ধে ভরে ওঠে পথ, নদী খুলে দেয় তার নীল বাহু, মেঘেরা আকাশজুড়ে
নিজস্ব প্রতিবেদক কথা দিয়েছিলে তুমি… আমার থরথর কাঁপতে থাকা হাতখানি তোমার দুই হাতের উষ্ণ মন্দিরে রেখে আকাশের দিকে আঙুল তুলে বলেছিলে— “এই নীল আকাশ সাক্ষী থাক, এই সূর্য, এই বাতাস,
নিজস্ব আন্দোলনের সব ক্ষত রক্ত ঝরায় না— কিছু ক্ষত থাকে বুকের গহন গুহায়, যেখানে সূর্যের আলো পৌঁছায় না, পৌঁছায় না মানুষের করুণা, শুধু দীর্ঘশ্বাসের কালো পাখিরা ডানা ঝাপটে রাত জাগায়।
নিজস্ব প্রতিবেদক আমি তোমারে পাইনাই— আমি যারে পাইলাম, সেও তো আমারে পাইলোনা। আমার বুকভরা ভালোবাসা শুকিয়ে গেছে অনাদরের মরুভূমিতে; তবু কেউ এক ফোঁটা মায়া হয়ে আমার আকাশে বৃষ্টি হয়ে নামলো
নিজস্ব প্রতিবেদক তুই যদি স্বর্ণের মুকুটে প্রেম খুঁজিস, তবে আমার দুয়ারে আসিস না। আমার কপালে রাজতিলক নেই— আছে দুঃখের দগদগে অগ্নিচিহ্ন। আমি কপর্দকহীন, তবু ভিখারি নই; আমার সম্বল এক বুক
নিজস্ব প্রতিবেদক অপূর্ণ প্রেমেরই গীত হয়, পূর্ণতার তো কোনো আর্তনাদ নেই। যে ভালোবাসা হাতছাড়া হয়ে যায়, সেই ভালোবাসাই কবিতার খাতা ভরে দেয়। যারা পেয়ে যায়, তারা সংসারের গল্প লেখে; আর
নিজস্ব প্রতিবেদক আমি যমুনা পারের মানুষ— আমার পরিচয় নদীর জলে লেখা, আমার শেকড় কাদামাটির গভীরে গাঁথা। জন্মের প্রথম কান্না মিশে গেছে ঢেউয়ের কোলাহলে, প্রথম হাঁটতে শেখা নদীপাড়ের নরম বালুচরে। আমি