নিজস্ব প্রতিবেদক আমিও মানবতা বিসর্জন দিতে চাই— আর কতকাল নিজের রক্তে অন্যের বিবেক ধুয়ে দেব? আমি তো চেয়েছিলাম নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে একটি মানুষভরা পৃথিবী গড়তে। কিন্তু দেখলাম— এখানে মানুষ নয়,
নিজস্ব প্রতিবেদক তোরা পারিসনি— মানুষের চোখে নতুন ভোরের সূর্য আঁকতে, কিন্তু পারছিস মিথ্যার কালো ধোঁয়ায় আকাশ ঢেকে দিতে। তোরা প্রতিশ্রুতির বীজ বুনেছিলি, ফসল ফলেছে প্রতারণার; স্বপ্নের নদী দেখিয়েছিলি, মানুষ আজ
নিজস্ব প্রতিবেদক আমি মানুষ পাবো কই? চোখের চশমা পাল্টে পাল্টে দেখি, তবুও মানুষটাকে দেখি না। মুখ দেখি হাজার, মানুষ দেখি না। কত পথ হেঁটেছি— ধুলোমাখা গ্রাম, ব্যস্ত নগর, সভা-সমাবেশ, বাজার,
নিজস্ব প্রতিবেদক তুমি কখনো কবিতাকে ভালোবেসে দেখেছো? কবিতা কাউকে ফিরিয়ে দেয় না— যে একবার তার দরজায় দাঁড়ায়, তাকে সে বুকের ভেতর নক্ষত্রের মতো জ্বালিয়ে রাখে। কবিতা মানুষকে আপন করে নেয়,
নিজস্ব প্রতিবেদক বাঁচতে ইচ্ছে করে না— যখন দেখি মানুষের মুখে মানবতার কথা, আর হাতে অন্যায়ের পতাকা। বাঁচতে ইচ্ছে করে না— যখন সত্যকে শিকল পরিয়ে মিথ্যাকে সিংহাসনে বসানো হয়, বিবেককে বিক্রি
নিজস্ব প্রতিবেদক আমি শেষ চেষ্টা করে যাবো— শেষ নিঃশ্বাস অবধি মাথা নত করবো না। প্রতিটি অন্যায়কে বলবো—”না”, প্রতিটি অমানবিকতার সামনে মানবতার প্রদীপ জ্বেলে দাঁড়াবো। আমি দাঁড়াবো সকল ন্যায়ের পাশে, যদিও
নিজস্ব প্রতিবেদক কেমন হতো যদি— আর কোনো অন্যায় না হতো! ক্ষমতার বুটের নিচে সত্যের আর্তনাদ চাপা না পড়তো, বিবেক বিক্রি হতো না মুঠোভর্তি টাকার কাছে। কেমন হতো যদি— আর কোনো
নিজস্ব প্রতিবেদক আমি আমার ব্যথা তুলে রাখার একটা ডায়েরি লিখেছি— পাতায় পাতায় শুকিয়ে রাখা আছে তোমার দেওয়া দীর্ঘশ্বাসের গন্ধ। তোমার দেওয়া সব আঘাত যত্ন করে সাজিয়েছি শব্দের আলমারিতে, আবার তোমার
প্রদীপ চন্দ্র মম ক্ষমতার উঠোনে আজ সবচেয়ে বেশি ভিড় সত্যের নয়, ভিড় চাটুকারের; যারা করতালির শব্দে ঢেকে দেয় মানুষের আর্তনাদ। দালালরা আজকাল আয়না বিক্রি করে, কিন্তু সেখানে মুখ দেখা
নিজস্ব প্রতিবেদক আমি আর বিশ্বাস করিনা। এদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে—আমি আর বিশ্বাস করিনা। জনগণ সঠিক বিচার পাবে—আমি আর বিশ্বাস করিনা। কৃষক তার ন্যায্য অধিকার পাবে—আমি আর বিশ্বাস করিনা। আমি আর