1. : lf_flvdbCnglkgU :
  2. live@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪ : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪
  3. info@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪ :
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নরসিংদীর শিবপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মত বিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব মনজুর এলাহী এমপি ফুলপুরে ১ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ২,১০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার ব্যবসায়ীরা যদি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকে, তাহলে জনগণ কি সুখ-শান্তি পাবে? সাঁথিয়ায় মব সৃষ্টি করে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারীকে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ সুখ কামনা- আল আমিন মিলু বাংলাদেশের রাজনীতির মেরুকরণ: ডিসেম্বর ঘিরে আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা ১৫ আগস্ট ১৯৭৫: বাঙালি জাতির ইতিহাসের এক কলঙ্কময় অধ্যায় হাজরাবাড়ী পৌরসভার কাউন্সিলর প্রার্থী মনোহর মিয়া সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী নিখুঁত হতে হবেনা- আল আমিন মিলু

মুসলমানদের জন্য পবিত্র শুক্রবারে করনীয় বর্জনীয় ও এর গুরুত্ব আলোচনা করা হলো

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক 

পবিত্র শুক্রবার—মুসলমানদের জন্য এক বিশেষ বরকতময় দিন। এই দিনটি শুধু সাপ্তাহিক ছুটি নয়, বরং এটি একটি ইবাদতের দিন, আত্মশুদ্ধির দিন এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুবর্ণ সুযোগ। নিচে পবিত্র জুমার দিনের গুরুত্ব, করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়গুলো  তুলে ধরা হলো—: পবিত্র শুক্রবারের গুরুত্ব, করণীয় ও বর্জনীয়

পবিত্র ইসলাম ধর্মে শুক্রবার বা জুমার দিনকে বলা হয় “সপ্তাহের সেরা দিন”। এই দিনের মর্যাদা অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক বেশি। হাদিসে এসেছে, এই দিনেই হযরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়, এই দিনেই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং এই দিনেই তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়। এমনকি কিয়ামতও সংঘটিত হবে এই শুক্রবারেই।
প্রিয় পাঠক , জুমার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো জুমার নামাজ। এটি পুরুষ মুসলমানদের জন্য ফরজ। তাই এই দিনে কাজকর্ম ছেড়ে দিয়ে মসজিদে উপস্থিত হয়ে জামাতের সাথে নামাজ আদায় করা অত্যন্ত জরুরি।
এই দিনের করণীয় কাজগুলোতে।
প্রথমত, জুমার দিনে গোসল করা সুন্নত। পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র হয়ে মসজিদে যাওয়া আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়। সুগন্ধি ব্যবহার করা এবং পরিষ্কার কাপড় পরিধান করা উত্তম।
দ্বিতীয়ত, সময়মতো মসজিদে উপস্থিত হওয়া। যত আগে মসজিদে যাওয়া যায়, তত বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি আগে মসজিদে যায়, সে যেন একটি উট কোরবানি করার সওয়াব পায়। দ্বিতীয় ব্যক্তি একটি  গরু কোরবানির সওয়ার পাবে। 
তৃতীয়ত, সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা। জুমার দিনে সূরা কাহফ পাঠ করলে এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত আল্লাহ তায়ালা নূরের আলো দান করেন।
চতুর্থত, বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ করা। কারণ এই দিনে রাসূল (সা.)-এর উপর দরুদ পাঠের বিশেষ ফজিলত রয়েছে।
পঞ্চমত, দোয়া করা। জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, যখন বান্দার দোয়া কবুল হয়। তাই এই দিনে বেশি বেশি আল্লাহর কাছে চাওয়া উচিত।

বর্জনীয় কাজগুলোতে।
প্রথমত, জুমার খুতবা চলাকালীন কথা বলা বা অন্য কাজে ব্যস্ত থাকা সম্পূর্ণ নিষেধ। এমনকি কাউকে চুপ থাকতে বললেও তা গুনাহের কাজ হিসেবে গণ্য হয়।
দ্বিতীয়ত, দেরিতে মসজিদে যাওয়া। অনেকেই অলসতা করে দেরিতে যান, এতে খুতবা শোনা হয় না এবং সওয়াব থেকেও বঞ্চিত হতে হয়।
তৃতীয়ত, অপ্রয়োজনীয় ব্যস্ততা বা ব্যবসা-বাণিজ্যে লিপ্ত থাকা। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, যখন জুমার নামাজের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন সব কাজ ছেড়ে আল্লাহর স্মরণে ছুটে যাও।
চতুর্থত, অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় মসজিদে যাওয়া। এটি শুধু নিজের জন্য নয়, অন্যদের জন্যও কষ্টদায়ক।
প্রিয় পাঠক , জুমার দিনটি আমাদের জন্য এক মহান নেয়ামত। এই দিনটি সঠিকভাবে পালন করলে আমাদের গুনাহ মাফ হয়, আত্মা পরিশুদ্ধ হয় এবং আল্লাহর রহমত লাভ করা যায়।
তাই আসুন, আমরা সবাই পবিত্র শুক্রবারের গুরুত্ব অনুধাবন করি, করণীয়গুলো যথাযথভাবে পালন করি এবং বর্জনীয় কাজগুলো থেকে বিরত থাকি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তাওফিক দান করুন আমিন 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট