1. : lf_flvdbCnglkgU :
  2. live@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪ : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪
  3. info@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪ :
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজনৈতিক গ্যারাকলে মানুষ আজ দিশেহারা। চারদিকে যেন শুধু ‘নাই আর নাই’। মিথ্যা আশ্বাস আর প্রতিশ্রুতির চিড়ায় কি সত্যিই ভিজবে মানুষের পেট? তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে—এভাবে চলতে থাকলে এদেশের ভবিষ্যৎ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? উপকূলবাসীর নিরাপদ পানির দাবিতে মোরেলগঞ্জে নাগরিক সমাবেশ ও পদযাত্রা মোরেলগঞ্জে দারুস সুন্নাহ মডেল মাদরাসার  দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার পুরুস্কার বিতরণী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধানক্ষেতে কৃষি কাজ করতে গিয়ে দুই ভাই বিধান ও মানিকের মৃত্যু হলো  বজ্রপাতে  বেলজিয়ামে আওয়ামী লীগের শোকসভা: ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ড. হাসান মাহমুদের Mostbet giris: Yuksek Kazanc Firsatlari Sizi Bekliyor! ভিউয়ের যুগে সংবাদ যখন কনটেন্ট, তখন সবচেয়ে বড় সংকট ক্যামেরার নয়—সাংবাদিকতার বিবেকের বিরহের শেষ প্রহর – আল আমিন মিলু পোগলদিঘা ইউনিয়নে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার, মাঝে মধ্যে ধরা পড়ছে খুচরা বিক্রেতা। তবুও থেমে নেই প্রকাশ্যেই চলছে বিক্রির, অভিযোগ এলাকাবাসীর Jackpot fırsatlarını yakala Bethub casino

ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদার এর ২৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক 

 

২০ আগষ্ট  বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি বেদনাবিধুর দিন। এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণ করি সাবেক বিএনপির মহাসচিব, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও জননেতা মরহুম ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদারকে। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁর রাজনৈতিক, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক অবদানের প্রতি জানাচ্ছি বিনম্র শ্রদ্ধা।

ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদার ১৯৩৬ সালের ৪ নভেম্বর , বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলার মুলবাড়ী গ্রামের সম্ভান্ত্র তালুকদার পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। ১৯৯৯ সালের ২০ আগষ্ট হার্টের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার সময় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ছিলেন  একজন সত্য ন্যায় পরায়ন বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব  দল-বল নির্বিশেষে তিনি ছিলেন একজন আদর্শীক রাজনৈতিক ব্যক্তি। বাংলাদেশের রাজনীতির একজন পরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি দেশ, মাটি ও মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছেন। তাঁর রাজনৈতিক পথচলা ছিল নানা উত্থান-পতন, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে। একজন আইনজীবী হিসেবে পেশাগত জীবন শুরু করলেও মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও জনকল্যাণের প্রশ্ন তাঁকে সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত করে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিতে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পালনকালে তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করা, নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সুসংগঠিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর বক্তব্যে যেমন রাজনৈতিক দৃঢ়তা ছিল, তেমনি ছিল সাধারণ মানুষের কথা বলার চেষ্টা।

ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদার শুধু দলীয় রাজনীতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না; রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী হিসেবে দেশের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, পল্লী অবকাঠামো, স্থানীয় পর্যায়ের উন্নয়ন এবং সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রমের গুরুত্বকে সামনে নিয়ে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সমাজব্যবস্থার একটি বড় অংশ গ্রামকেন্দ্রিক। তাই গ্রামের মানুষের উন্নয়ন ছাড়া সামগ্রিক জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়—এই বাস্তবতা তাঁর দায়িত্বের ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করেছিল।

একজন রাজনীতিবিদের প্রকৃত মূল্যায়ন হয় তাঁর পদ-পদবি দিয়ে নয়, বরং মানুষের হৃদয়ে তিনি কতটা জায়গা করে নিতে পেরেছেন, তাঁর কর্ম মানুষের কতটা উপকারে এসেছে এবং তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কতটা অনুপ্রাণিত করেছে—তার ওপর। সেই জায়গা থেকে ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদারের রাজনৈতিক জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা আজও প্রাসঙ্গিক।

সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেক নতুন মুখ এসেছে, অনেক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। কিন্তু যারা একটি নির্দিষ্ট সময়ে রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের অবদান ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকে। ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদারও বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের তেমনই একজন স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব।

তাঁকে স্মরণ করার অর্থ শুধু তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করা নয়। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের ভালো দিকগুলো থেকে শিক্ষা নেওয়া, মানুষের কল্যাণে রাজনীতিকে কাজে লাগানো এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সম্মান করাও তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা হতে পারে।

আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা বিশেষভাবে স্মরণ করছি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, মানুষের জন্য তাঁর কাজ এবং দেশের রাজনীতিতে তাঁর অবদান। তাঁর সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা এবং সাধারণ মানুষ আজও নানা স্মৃতির মধ্য দিয়ে তাঁকে স্মরণ করেন। সময় চলে যায়, প্রজন্ম বদলে যায়, কিন্তু মানুষের জন্য করা ভালো কাজ ও মানুষের হৃদয়ে তৈরি হওয়া স্মৃতি সহজে হারিয়ে যায় না।

আজকের এই দিনে আমাদের প্রত্যাশা—বাংলাদেশের রাজনীতি আরও মানবিক, দায়িত্বশীল, গণমুখী ও জনকল্যাণমুখী হবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে, আদর্শের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু মানুষের অধিকার, দেশের স্বার্থ এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের জায়গায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।

ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদারের মৃত্যু আমাদের জন্য এক অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি করেছে। তাঁর চলে যাওয়ার পর বহু বছর পেরিয়ে গেলেও তাঁর রাজনৈতিক জীবন ও কর্মের স্মৃতি আজও অম্লান। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা তাঁর আদর্শ ও জনসম্পৃক্ত রাজনৈতিক চেতনাকে স্মরণ করতে চাই।

২০ আগস্ট তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সাবেক বিএনপির মহাসচিব ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মরহুম ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদারকে। মহান আল্লাহ তাঁর সকল ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করুন, তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করুন।

তাঁর স্মৃতি বেঁচে থাকুক মানুষের হৃদয়ে। তাঁর কর্ম ও রাজনৈতিক জীবনের ইতিবাচক অধ্যায়গুলো নতুন প্রজন্মকে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাক—এই হোক আজকের দিনে আমাদের প্রত্যাশা।

মরহুম ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদারে জান্নাত বাসী হোক। আল্লাহ তায়ালা তাহার সকল ভুল গুলো ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করুন আমিন। 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট