
নিজস্ব প্রতিবেদক
আমি মো:জাহাঙ্গীর আলম, সরিষাবাড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহকারী।জাহাঙ্গীর আলমকে ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে যে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাহাঙ্গীর আলম ও তার পরিবার। তারা এ ধরনের অপপ্রচারকে পরিকল্পিত, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানহানিকর বলে উল্লেখ করেছেন।
জাহাঙ্গীর আলমের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সৎ ও নিষ্ঠার সঙ্গে সমাজে কাজ করে আসছেন। তার ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সংশ্লিষ্টতা নেই। কিন্তু কিছু অসাধু মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে তার সম্মান ক্ষুণ্ণ করতে এ ধরনের মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে।
পরিবারের সদস্যরা বলেন, “আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, একটি চক্র ইচ্ছাকৃতভাবে জাহাঙ্গীর আলমকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। তারা ভুয়া তথ্য, বিকৃত ছবি ও মনগড়া গল্প তৈরি করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।”
তারা আরও বলেন, বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একটি শক্তিশালী মাধ্যম হলেও এর অপব্যবহার সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার করা যেমন অনৈতিক, তেমনি এটি আইনের দৃষ্টিতেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তারা।
জাহাঙ্গীর আলম নিজেও এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়ে বলেন, “আমি সবসময় সত্য ও ন্যায়ের পথে চলেছি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আনা হচ্ছে, সেগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সত্য উদঘাটনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করব।”
তিনি আরও জানান, এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। যারা ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে, কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে তা সঠিক কিনা যাচাই করা জরুরি। গুজব বা অপপ্রচারে কান না দিয়ে সত্য তথ্যের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানানো হয়।
সবশেষে তারা বলেন, “আমরা আশা করি, সত্য খুব শিগগিরই প্রকাশিত হবে এবং এই অপপ্রচারকারীরা তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য উপযুক্ত জবাব পাবে। আমরা সবার কাছে ন্যায়বিচার ও সত্যের পক্ষে থাকার আহ্বান জানাই।”
এই ঘটনার মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হয়, ব্যক্তি বা সমাজের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো কতটা ক্ষতিকর হতে পারে। তাই সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণই পারে এমন পরিস্থিতি থেকে সমাজকে রক্ষা করতে।