
নিজস্ব প্রতিবেদক
আমি তোমারে পাইনাই—
আমি যারে পাইলাম,
সেও তো আমারে পাইলোনা।
আমার বুকভরা ভালোবাসা
শুকিয়ে গেছে অনাদরের মরুভূমিতে;
তবু কেউ এক ফোঁটা মায়া হয়ে
আমার আকাশে বৃষ্টি হয়ে নামলো না।
আমি ছিলাম প্রদীপ,
নিজেকে পুড়িয়ে আলো দিয়েছি সবার ঘরে;
শেষে দেখি—
আমার নিজের ঘরটাই রয়ে গেছে অন্ধকারে।
যারে হৃদয়ের সিংহাসনে বসাইছি,
সে আমার নামটাও
চোখের জলে লিখতে শেখেনি।
আমি তার অপেক্ষায়
শত শত রাত তারার কাছে হিসাব দিয়েছি,
সে শুধু ভোরের আগেই
স্বপ্ন ভেঙে চলে গেছে।
আমার কান্নাগুলো
নদী হয়ে সাগরে মিশেছে,
কিন্তু কেউ একবারও জিজ্ঞেস করেনি—
“এত জল কোথা থেকে আসে?”
আজও বুকের ভেতর
তোমার নামের ভাঙা মন্দির দাঁড়িয়ে আছে।
সেখানে প্রতিদিন
ভালোবাসার লাশ দাফন করি,
আর নিজের নিঃশ্বাস দিয়ে
কবরের মাটি চাপা দিই।
বোধহয় আমি জন্মেছি
শুধু হারানোর জন্য—
যারে চাইছি সে দূরে গেছে,
যে কাছে এসেছে
সে আমার হৃদয়ের ভাষা পড়তে পারেনি।
তাই আজও আকাশের দিকে তাকিয়ে বলি—
হে বিধাতা,
একজন মানুষও কি ছিল না
যে আমাকে আমার মতো করে ভালোবাসত?
আমি তোমারে পাইনাই—
আমি যারে পাইলাম,
সেও তো আমারে পাইলোনা।
এই না-পাওয়ার অভিশাপ নিয়েই
প্রতিদিন একটু একটু করে মরে যাই,
আর সেই মৃত্যুর শব্দগুলোই
মানুষ কবিতা বলে পড়ে।
লেখক কলামিস্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক গবেষক সরিষাবাড়ি জামালপুর