1. 6Pr8ATtqVi7RBp@gmail.com : 6Pr8ATtqVi7RBp :
  2. : lf_flvdbCnglkgU :
  3. live@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪ : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪
  4. info@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪ :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Yeni oyun deneyimlerini keşfetmek Mariobet güncel giriş ile kolay আমি মিথ্যাবাদী – আল আমিন মিলু পোরশার গাঙ্গুরিয়া-ছাওড় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অনিয়মের অভিযোগ; ‘সবই মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি অভিযুক্তের নরসিংদীর শিবপুরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সামিউর রহমান সহকারী কমিশনার (ভূমি) সরিষাবাড়িতে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার—কেন ঠেকানো যাচ্ছে না? ফুলপুরে ধর্ষণের শিকার দশম শ্রেণির ছাত্রীর সন্তান প্রসব, নবজাতকের পিতৃত্বের স্বীকৃতির দাবি নরসিংদীতে নিখোঁজের ৩ দিন পর হাত,পা ও লিঙ্গ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ৭৫ বছরের বৃদ্ধার মৃত দেহ উদ্ধার করলেন পুলিশ আমি বুদ্ধিজীবী হবো – আল আমিন মিলু কড়িয়া সীমান্তে ভারতীয় মদ আটক কাটলা বিশেষ ক্যাম্প কর্তৃক যৌন উত্তেজক সিরাপ আটক

সরিষাবাড়িতে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার—কেন ঠেকানো যাচ্ছে না?

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক 
সরিষাবাড়িতে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার যেন দিন দিন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকের সহজলভ্যতা এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার প্রবণতা নিয়ে উদ্বিগ্ন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে তরুণ ও কিশোরদের একটি অংশ ধীরে ধীরে এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রশ্ন উঠছে—এত আলোচনা, এত অভিযান এবং এত সচেতনতার পরও কেন মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার ঠেকানো যাচ্ছে না? কোথায় দুর্বলতা? শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানই কি যথেষ্ট, নাকি এর পেছনে রয়েছে আরও গভীর কিছু কারণ?
স্থানীয়দের মতে, মাদকের বিরুদ্ধে মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালিত হলেও নিয়মিত নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। কারণ মাদক ব্যবসায়ীরা অনেক সময় সরাসরি প্রকাশ্যে কার্যক্রম পরিচালনা না করে বিভিন্ন কৌশলে তাদের নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে থাকে। ফলে একজনকে আটক করলেই সমস্যার মূল শিকড় উপড়ে ফেলা সম্ভব হয় না।
অন্যদিকে নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে অনলাইন জুয়া। একটি স্মার্টফোন, ইন্টারনেট সংযোগ এবং একটি অ্যাপ বা ওয়েবসাইট—এই সামান্য উপকরণ দিয়েই ঘরে বসে অনলাইন জুয়ার ফাঁদে জড়িয়ে পড়ছে অনেক তরুণ। শুরুতে অল্প টাকা দিয়ে খেললেও একপর্যায়ে হারানো টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় আরও বেশি টাকা বিনিয়োগ করে সর্বস্বান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটছে।
অনলাইন জুয়ার সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো—এটি অনেক সময় চোখের সামনে কোনো জুয়ার আসর তৈরি না করেই পরিচালিত হয়। ফলে সাধারণ মানুষের পক্ষে এর বিস্তার শনাক্ত করা কঠিন। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মেসেজিং অ্যাপ এবং গোপন গ্রুপের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। 
এখানে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—তাহলে দুর্বলতা কোথায়?
প্রথমত, প্রয়োজন নিয়মিত ও সমন্বিত নজরদারি। শুধু কোনো অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযান নয়; সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
দ্বিতীয়ত, মাদকের ক্ষেত্রে শুধু খুচরা বিক্রেতা বা ব্যবহারকারীকে আটক করলেই হবে না। মাদকের সরবরাহ কোথা থেকে আসছে, কারা অর্থের যোগান দিচ্ছে এবং কারা এর সঙ্গে যুক্ত—এসব বিষয় তদন্তের আওতায় আনতে হবে। একইভাবে অনলাইন জুয়ার ক্ষেত্রেও শুধু খেলোয়াড় নয়, এর পেছনে থাকা অর্থ লেনদেনের মাধ্যম, পরিচালনাকারী নেটওয়ার্ক এবং স্থানীয় সহযোগীদের শনাক্ত করা জরুরি।
তৃতীয়ত, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি এলাকার মানুষ যদি মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়, তাহলে অপরাধীদের জন্য কাজ করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু অনেক সময় ভয়, সামাজিক চাপ কিংবা নানা কারণে মানুষ অভিযোগ করতে চান না। ফলে অপরাধীরা সুযোগ পেয়ে যায়।
চতুর্থত, পরিবারকেও আরও সচেতন হতে হবে। সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে, মোবাইল ফোন কীভাবে ব্যবহার করছে—এসব বিষয়ে অভিভাবকদের নজর রাখা প্রয়োজন। কারণ মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে উঠতে পারে পরিবার থেকেই।
পঞ্চমত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। কিশোর ও তরুণদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, সামাজিক সংগঠন এবং ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত করা গেলে অপরাধপ্রবণতা অনেকটাই কমানো সম্ভব।
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনো ধরনের রাজনৈতিক, ব্যক্তিগত বা প্রভাবশালী মহলের চাপ যেন তদন্ত ও আইন প্রয়োগের পথে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই তাকে অপরাধী হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না। প্রয়োজন নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রমাণ এবং আইনি প্রক্রিয়া।
সরিষাবাড়ির মানুষ মাদকমুক্ত ও জুয়ামুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ চান। তারা চান, প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়াবে এবং মাদকের মূল সরবরাহকারী ও অনলাইন জুয়ার নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।
কারণ একটি তরুণ যখন মাদকে আসক্ত হয়, তখন শুধু একজন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয় না—ক্ষতিগ্রস্ত হয় একটি পরিবার। আর একজন তরুণ যখন অনলাইন জুয়ার ফাঁদে পড়ে, তখন তার সঙ্গে জড়িয়ে যেতে পারে পুরো পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা।
তাই এখনই সময় প্রশ্ন তোলার—মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার কেন ঠেকানো যাচ্ছে না? কোথায় দুর্বলতা? কোথায় সমন্বয়ের ঘাটতি?
উত্তর খুঁজতে হবে মাঠপর্যায়ে, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে।
প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক এবং সচেতন নাগরিক—সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
কারণ মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে শুধু অভিযান নয়, প্রয়োজন ধারাবাহিক প্রতিরোধ, সামাজিক ঐক্য এবং কার্যকর আইন প্রয়োগ।
আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ সরিষাবাড়ি গড়ে তুলতে এখনই সময় সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার।আসুন ঐক্য বদ্ধ হয়ে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা ও প্রতিরোধ গড়ে তুলি। 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট