1. : lf_flvdbCnglkgU :
  2. live@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪ : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪
  3. info@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪ :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Canlı yayın seçenekleriyle öne çıkan Mariobet giriş adresi çözümleri Canlı yayın seçenekleriyle öne çıkan Mariobet giriş adresi çözümleri Canlı yayın seçenekleriyle öne çıkan Mariobet giriş adresi çözümleri সরিষাবাড়ীতে পিংনা ইউনিয়ন এর ভিটেমাটিহীন পুস্মা ও মালার পাশে উপজেলা প্রশাসন জ্বালানি তেলের দাম: জনগণের পকেটই কি সব সংকটের শেষ ঠিকানা? – আল আমিন মিলু পোরশায় মাদক আসক্ত যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড রাজশাহী রেলস্টেশনে রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, উত্তাল রেলপথ স্টেশন ঘেরাও ও রেলপথ অবরোধে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক, ট্রেন চলাচল ব্যাহত জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে জনমনে হতাশার ছাপ—প্রভাব পড়তে পারে সবকিছুর ওপর পোরশার নিতপুর সীমান্তে বিপুল পরিমান ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই চোরাকারবারী আটক যুবদলের ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম বহিষ্কার

সরিষাবাড়ীর ৩নং ডোয়াইল ইউনিয়নে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক 
জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ৩নং ডোয়াইল ইউনিয়নের শশারবল, ভবানীপুর, আদাচাকী, গ্রামনিখাই, তেতুলতলা ও ঘোরার মোড়সহ আশপাশের কয়েকটি এলাকায় মাদকের ভয়াবহ বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দিনের পর দিন এসব এলাকায় মাদক কেনাবেচা ও সেবনের প্রবণতা বাড়তে থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে উঠতি বয়সী তরুণ ও যুবকদের একটি অংশ মাদকের ভয়াল ছোবলে জড়িয়ে পড়ায় পরিবারগুলোর মধ্যেও তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কৌশলে এসব এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালিত হয়ে আসছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় মাঝে মধ্যে কিছু মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার হলেও মূল সমস্যার যেন স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। ফলে গ্রেপ্তারের পরও কোনো কোনো এলাকায় মাদকের কারবার আবার নতুন করে সক্রিয় হয়ে ওঠার অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সোহেল নামে এক ব্যক্তিকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। কিন্তু তার গ্রেপ্তারের পরও মাদক ব্যবসা থেমে নেই বলে দাবি স্থানীয়দের। তাদের প্রশ্ন—যদি একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার হন, তাহলে তার নেটওয়ার্ক বা সহযোগীদের বিরুদ্ধে কি যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে?
তবে আরও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। তাদের দাবি, পুলিশের সঙ্গে মোটা অঙ্কের মাসোহারার মাধ্যমে মাদক ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। যদিও এ অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তাই বিষয়টি নিয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।
বাসিন্দারা বলছেন, মাদকের বিস্তার শুধু একজন ব্যক্তি বা একটি পরিবারের সমস্যা নয়; এটি পুরো সমাজের জন্য ভয়াবহ হুমকি। মাদককে কেন্দ্র করে চুরি, ছিনতাই, কিশোর অপরাধ, পারিবারিক অশান্তি এবং বিভিন্ন ধরনের সামাজিক অপরাধ বাড়তে পারে। একজন তরুণ যখন মাদকের নেশায় জড়িয়ে পড়ে, তখন শুধু তার নিজের ভবিষ্যৎই নষ্ট হয় না—ধ্বংসের মুখে পড়ে একটি পরিবারও।
বিশেষ করে শশারবল, ভবানীপুর, আদাচাকী, গ্রাম নিখাই, তেতুলতলা ও ঘোরার মোড় এলাকার অভিভাবকরা এখন তাদের সন্তানদের নিয়ে উদ্বিগ্ন। সন্ধ্যার পর বিভিন্ন স্থানে অপরিচিত মানুষের চলাচল এবং সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড নিয়ে অনেকেই আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।
এলাকাবাসীর বক্তব্য, মাদক নির্মূলে শুধু দু-একজনকে গ্রেপ্তার করলেই হবে না। মাদকের মূল উৎস, সরবরাহকারী, বিক্রেতা, সহযোগী এবং পৃষ্ঠপোষকদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি মাদকবিরোধী অভিযানকে হতে হবে নিয়মিত ও নিরপেক্ষ।
আর যদি কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে, তাহলে সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। কারণ জনগণের নিরাপত্তার দায়িত্ব যাদের হাতে, তাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা সম্পর্কে আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে।
তাই এলাকাবাসীর দাবি, সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন যেন অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। প্রয়োজন হলে গোপন তদন্ত, মাদকবিরোধী অভিযান এবং সন্দেহভাজনদের সম্পদের উৎস যাচাইসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
একই সঙ্গে মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগে সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করারও দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে প্রয়োজন প্রশাসনের কঠোর অবস্থান, জনগণের সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক কিংবা সামাজিক কোনো ধরনের প্রভাবমুক্ত আইন প্রয়োগ। অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, আর অভিযোগ মিথ্যা হলে নিরপরাধ কাউকে হয়রানি করা যাবে না।
শশারবল থেকে ঘোরার মোড়—পুরো এলাকার মানুষ এখন একটি কার্যকর সমাধানের অপেক্ষায়। তাদের একটাই দাবি—মাদকের ভয়াবহ বিস্তার বন্ধ হোক, তরুণ প্রজন্ম রক্ষা পাক এবং এলাকায় ফিরে আসুক স্বাভাবিক ও নিরাপদ পরিবেশ।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও তদন্তসাপেক্ষ পদক্ষেপই পারে এলাকাবাসীর উদ্বেগ দূর করতে এবং মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে।আসুন প্রশাসনের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করি মাদক মুক্ত সমাজ গড়ি। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট