1. : lf_flvdbCnglkgU :
  2. live@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪ : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪
  3. info@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪ :
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজনৈতিক গ্যারাকলে মানুষ আজ দিশেহারা। চারদিকে যেন শুধু ‘নাই আর নাই’। মিথ্যা আশ্বাস আর প্রতিশ্রুতির চিড়ায় কি সত্যিই ভিজবে মানুষের পেট? তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে—এভাবে চলতে থাকলে এদেশের ভবিষ্যৎ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? উপকূলবাসীর নিরাপদ পানির দাবিতে মোরেলগঞ্জে নাগরিক সমাবেশ ও পদযাত্রা মোরেলগঞ্জে দারুস সুন্নাহ মডেল মাদরাসার  দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার পুরুস্কার বিতরণী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধানক্ষেতে কৃষি কাজ করতে গিয়ে দুই ভাই বিধান ও মানিকের মৃত্যু হলো  বজ্রপাতে  বেলজিয়ামে আওয়ামী লীগের শোকসভা: ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ড. হাসান মাহমুদের Mostbet giris: Yuksek Kazanc Firsatlari Sizi Bekliyor! ভিউয়ের যুগে সংবাদ যখন কনটেন্ট, তখন সবচেয়ে বড় সংকট ক্যামেরার নয়—সাংবাদিকতার বিবেকের বিরহের শেষ প্রহর – আল আমিন মিলু পোগলদিঘা ইউনিয়নে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার, মাঝে মধ্যে ধরা পড়ছে খুচরা বিক্রেতা। তবুও থেমে নেই প্রকাশ্যেই চলছে বিক্রির, অভিযোগ এলাকাবাসীর Jackpot fırsatlarını yakala Bethub casino

সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার ভেটুয়া সেতু নির্মাণে নতুন আশার আলো

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ১২৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
 সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার চরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এবার দেখা দিয়েছে নতুন আশার আলো। যমুনা নদীর ভেটুয়া খেয়াঘাট এলাকায় নির্মিত হতে যাচ্ছে ভেটুয়া সেতু। এই সেতু নির্মাণ বাস্তবায়িত হলে কাজিপুর উপজেলার চরাঞ্চলের ছয়টি  ইউনিয়নের প্রায় দুই লাখ মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।শুধু তা-ই নয় এই সেতু নির্মিত হলে কাজিপুর – জামালপুর হয়ে  রাজধানী ঢাকার সাথে সুন্দর একটি যোগাযোগ ব্যবস্থার মেলবন্ধন তৈরি হবে  বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় এমপি সেলিম রেজা।

তিনি আশা প্রকাশ করেন সেতু নির্মিত হলে এটি একটি পর্যটন শিল্প এলাকায়  পরিনত হবে। এখানে বিভিন্ন দেশ বিদেশের লোক আসবে অবসর বিনোদনের জন্য। 
দীর্ঘদিন ধরে যমুনা নদী পারাপারের জন্য চরাঞ্চলের মানুষকে নির্ভর করতে হচ্ছে নৌযানের ওপর। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বৃদ্ধি, স্রোত ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে পারাপারে নানা ধরনের ঝুঁকি ও ভোগান্তির শিকার হতে হয় সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগী এবং জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী মানুষের দুর্ভোগের যেন শেষ নেই।


একটি সেতু শুধু দুই প্রান্তকে যুক্ত করে না; এটি মানুষের স্বপ্ন, সম্ভাবনা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথও খুলে দেয়। ভেটুয়া সেতু নির্মিত হলে চরাঞ্চলের মানুষের সঙ্গে উপজেলা ও জেলা শহরের যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হবে। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য স্বল্প সময়ে বাজারজাত করতে পারবেন। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ হবে এবং জরুরি চিকিৎসাসেবাও মানুষের নাগালের আরও কাছাকাছি চলে আসবে।


এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ভেটুয়া সেতুর নকশা ও সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন চীনা নাগরিকদের একটি প্রতিনিধি দল এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম রেজা এমপি। পরিদর্শনের সময় সেতু নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান, নদীর গতিপথ, স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং চরাঞ্চলের মানুষের প্রয়োজনীয়তার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।


স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ভেটুয়া সেতু বাস্তবায়িত হলে এটি শুধু একটি যোগাযোগ অবকাঠামো হবে না; বরং চরাঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠবে।
চরাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে জীবনযাপন করছেন। যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে অনেক সময় উৎপাদিত কৃষিপণ্য ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা সম্ভব হয় না। অসুস্থ রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে।
এমন বাস্তবতায় ভেটুয়া সেতুর সম্ভাব্য নির্মাণের খবর স্থানীয় মানুষের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে। তারা চান, পরিকল্পনা ও নকশা প্রণয়নের পর দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেতু নির্মাণের কাজ বাস্তবায়ন করা হোক।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের একটি স্বপ্ন যদি বাস্তবে রূপ নেয়, তাহলে চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। যোগাযোগের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
তবে বড় কোনো অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সঠিক সমীক্ষা, টেকসই নকশা, নদীর গতিপথ ও ভাঙনপ্রবণতা বিবেচনা এবং যথাযথ পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।সেতু নির্মাণে আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে শতকোটি টাকা।  স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন ও বাস্তব পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে একটি দীর্ঘস্থায়ী ও নিরাপদ সেতু নির্মাণই এখন এলাকাবাসীর প্রধান প্রত্যাশা।
সাতটি ইউনিয়নের প্রায় দুই লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগের সংকট যদি ভেটুয়া সেতুর মাধ্যমে সমাধানের পথে এগিয়ে যায়, তাহলে এটি হবে চরাঞ্চলের মানুষের জন্য একটি বড় অর্জন।
এখন সবার প্রত্যাশা—পরিদর্শন ও নকশা প্রণয়নের উদ্যোগ যেন দ্রুত বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছায়। ভেটুয়া সেতু হোক চরাঞ্চলের মানুষের উন্নত জীবন, সহজ যোগাযোগ এবং নতুন সম্ভাবনার সেতুবন্ধন।
“ভেটুয়া সেতু নির্মাণের স্বপ্ন এখন চরাঞ্চলের লাখো মানুষের চোখে। এই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিলে যমুনার দুই পাড়ের যোগাযোগে তৈরি হবে নতুন দিগন্ত—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট