1. : lf_flvdbCnglkgU :
  2. live@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪ : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪
  3. info@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪ :
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদার এর ২৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ Het belangrijkste aan Casino-apps সরিষাবাড়িতে আবারও মাদকের ভয়াবহতা: রাতের আঁধারে নতুন কৌশলে ব্যবসার অভিযোগ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ঢাকা পিৎজা হাউস অ্যান্ড রেস্তোরাঁ’র শুভ উদ্বোধন মিলছে ১৫% ছাড়! রাজশাহী জেলা পুলিশের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত Бонусы для игроков интернет-казино Вавада! বিদ্যুৎ সংকট: সমাধান চাই পরিকল্পনায়, সাময়িক ব্যবস্থাপনায় নয়.- আল আমিন মিলু আইনের প্রতি মানুষের বিশ্বাস থাকবে তো?—টাকা না ক্ষমতা, কার কাছে জিম্মি আইন? টাকার ওপারে অন্ধকার নরসিংদীর শিবপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মত বিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব মনজুর এলাহী এমপি

সাংবাদিকই সাংবাদিকের শত্রু যে কারণে সাংবাদিকের কোন আইন বাস্তবায়ন হচ্ছে না

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
  • ১২৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক 

আজকের সমাজে একটি প্রচলিত কিন্তু বেদনাদায়ক কথা আমরা প্রায়ই শুনি— “সাংবাদিকই সাংবাদিকের শত্রু।” এই কথাটি নিছক অভিযোগ নয়, বরং বাস্তবতার এক কঠিন প্রতিফলন। যে পেশা মানুষের অধিকার রক্ষা, সত্য উদঘাটন এবং সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করার জন্য কাজ করে, সেই পেশার ভেতরেই যদি বিভাজন সৃষ্টি হয়, তাহলে সেই পেশার দাবি-দাওয়া পূরণ হওয়া কতটা কঠিন—তা সহজেই অনুমেয়।

সাংবাদিকদের পেশাগত দাবি বহুদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। নিরাপত্তা, ন্যায্য বেতন, পেশাগত স্বাধীনতা এবং আইনি সুরক্ষা—এসব মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবি বারবার উঠেছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এসব দাবির অনেকগুলোই আজও পূরণ হয়নি। এর অন্যতম কারণ হলো সাংবাদিকদের মধ্যকার ঐক্যের অভাব।

একজন সাংবাদিক যখন অন্য একজন সাংবাদিককে প্রতিদ্বন্দ্বী বা শত্রু হিসেবে দেখে, তখন সেখানে সহযোগিতার পরিবর্তে প্রতিযোগিতা এবং বিভাজন সৃষ্টি হয়। সংবাদ সংগ্রহ, প্রকাশ কিংবা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া—এসব আচরণ ধীরে ধীরে পেশাগত সম্পর্ককে দুর্বল করে দেয়। ফলে একটি সম্মিলিত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়ে।

আরও একটি বড় সমস্যা হলো গ্রুপিং বা দলাদলি। একেকটি সংগঠন, একেকটি মতাদর্শ বা ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে সাংবাদিকরা বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এই বিভক্তি এতটাই প্রকট যে, কোনো একটি যৌথ দাবি উত্থাপন হলেও সেটি শক্তিশালী রূপ পায় না। কারণ সবাই একসাথে কথা বলে না, একসাথে দাঁড়ায় না।

অন্যদিকে, কিছু ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত লাভ-ক্ষতির হিসাবও সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করে। কেউ কেউ নিজের অবস্থান শক্ত করতে গিয়ে অন্যের ক্ষতি করতেও পিছপা হয় না। এর ফলে পেশার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় এবং সাধারণ মানুষের আস্থা কমে যায়। যখন জনগণের আস্থা কমে যায়, তখন সাংবাদিকদের দাবিও গুরুত্ব হারায়।

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ঐক্য। যদি সাংবাদিকরা নিজেদের ভেতরের দ্বন্দ্ব ভুলে গিয়ে একটি অভিন্ন লক্ষ্যে একত্রিত হতে পারে, তাহলে তাদের দাবি উপেক্ষা করা কারো পক্ষেই সহজ হবে না। ইতিহাস সাক্ষী, যেকোনো আন্দোলন তখনই সফল হয়েছে, যখন সেখানে ঐক্য ছিল দৃঢ় এবং লক্ষ্য ছিল পরিষ্কার।

সাংবাদিকতা কোনো ব্যক্তিগত লড়াই নয়, এটি একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। সত্য তুলে ধরা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা এবং মানুষের কণ্ঠস্বর হওয়া—এই দায়িত্ব পালন করতে হলে নিজেদের মধ্যকার বিভেদ দূর করতে হবে। একজন সাংবাদিকের সাফল্য আরেকজনের ব্যর্থতা নয়, বরং এটি পুরো পেশার সম্মান বৃদ্ধি করে—এই উপলব্ধি সবার মধ্যে গড়ে তুলতে হবে।

সবশেষে বলা যায়, “সাংবাদিকই সাংবাদিকের শত্রু”—এই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা এবং ঐক্যের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী সাংবাদিক সমাজ গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই কেবল সাংবাদিকদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে এবং পেশার মর্যাদা অটুট থাকবে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট