1. : lf_flvdbCnglkgU :
  2. live@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪ : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪
  3. info@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪ :
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পুঁজি কেন দেশ ছাড়বে না—দেশকে আগে বিনিয়োগের জন্য নিরাপদ করতে হবে দুর্নীতি, অপরাজনীতি ও দখলবাজির অর্থনৈতিক অভিঘাত কলমে—আল আমিন মিলু গোদাগাড়ীতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনে গোদাগাড়ীর কুঠিপাড়ায় আতঙ্ক টেকসই বাঁধের দাবিতে ক্ষোভ তারাকান্দিতে আবারও মাদকের দৌরাত্ম্য—আতঙ্কে এলাকাবাসী, প্রশাসনের নজরদারি চান সচেতন মহল Mobil Oyun Deneyimi: Bahis.com Uygulamasıyla Bahis সরিষাবাড়িতে মাদকের দৌরাত্ম্য: অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের দাবি সরিষাবাড়ীতে ইয়াবা সহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে থানা পুলিশ পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) কর্তৃক বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য আটক দেশের সংকট তৈরিতে উচ্চ শিক্ষিতরাই বেশী দায়ী মানুষের ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞতা

পুঁজি কেন দেশ ছাড়বে না—দেশকে আগে বিনিয়োগের জন্য নিরাপদ করতে হবে দুর্নীতি, অপরাজনীতি ও দখলবাজির অর্থনৈতিক অভিঘাত কলমে—আল আমিন মিলু

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক 

একজন মানুষ যখন বৈধ পথে ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেন, তখন সেই অর্থ দেশের অর্থনীতির জন্য সম্পদ। সেই অর্থ দিয়ে কারখানা হতে পারে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে, নতুন ব্যবসা দাঁড়াতে পারে, সরকারের রাজস্ব বাড়তে পারে। আবার কেউ অবৈধ পথে বিপুল অর্থের মালিক হলে সেটি রাষ্ট্রের জন্য আলাদা আইনগত ও নৈতিক প্রশ্ন।
কিন্তু দুই ক্ষেত্রেই একটি প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—
কেন একজন অর্থবান মানুষ তার অর্থ দেশে রাখতে ভয় পাবেন? কেন তিনি মনে করবেন, দেশের বাইরে টাকা রাখাই নিরাপদ?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে শুধু অর্থপাচারকারীর দিকে আঙুল তুললে হবে না। তাকাতে হবে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবেশের দিকেও।
কারণ পুঁজি শুধু মুনাফা খোঁজে না; পুঁজি নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, আইনের শাসন ও ভবিষ্যতের নিশ্চয়তাও খোঁজে।
বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে সতর্ক সংকেত
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো বেসরকারি বিনিয়োগের দুর্বলতা। বিশ্বব্যাংকের এপ্রিল ২০২৬-এর বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট বলছে, বেসরকারি বিনিয়োগ দুর্বল রয়েছে; একই সঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল ব্যাংকিং খাত, সীমিত রাজস্ব আহরণ এবং ব্যবসার উচ্চ নিয়ন্ত্রক ব্যয় অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। বিশ্বব্যাংক আরও বলেছে, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে ব্যবসার পরিবেশের উন্নতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আরও তাৎপর্যপূর্ণ হলো—বিশ্বব্যাংকের একটি সাম্প্রতিক মূল্যায়নে বাংলাদেশে বেসরকারি খাতের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে উত্তরদাতাদের ৭২ শতাংশ দুর্নীতি এবং ৫৮ শতাংশ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাকে চিহ্নিত করেছেন।
এগুলো শুধু পরিসংখ্যান নয়; এগুলো অর্থনীতির ভেতরের আস্থার সংকটের ইঙ্গিত।
দুর্নীতি যখন ব্যবসার খরচ হয়ে দাঁড়ায়
একজন উদ্যোক্তা একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান করতে চান।
তার প্রয়োজন জমি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ব্যাংকঋণ, অনুমোদন, লাইসেন্স, পরিবহন, বাজার ও প্রশাসনিক সহযোগিতা।
কিন্তু যদি প্রতিটি ধাপে তাকে অনানুষ্ঠানিক অর্থ দিতে হয়, রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করতে হয় কিংবা কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির সুপারিশ নিতে হয়, তাহলে তার প্রকৃত উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যায়।
অর্থনীতির ভাষায় এটি শুধু দুর্নীতি নয়—এটি অদৃশ্য কর।
এই অদৃশ্য কর শেষ পর্যন্ত উদ্যোক্তা একা বহন করেন না। পণ্যের দাম বাড়ে, বিনিয়োগ কমে, কর্মসংস্থান কমে এবং শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তাই তার মূল্য দেন।
দখলবাজি একজন ব্যক্তির সম্পদ নয়, পুরো বাজারের আস্থা দখল করে
দখলবাজির ক্ষতি কেবল একটি জমি বা প্রতিষ্ঠান হারানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
একজন উদ্যোক্তা যদি মনে করেন তার জমির মালিকানা কাগজে নিরাপদ, কিন্তু বাস্তবে রাজনৈতিক প্রভাবশালীর কারণে নিরাপদ নয়—তাহলে তিনি সেখানে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করবেন কেন?
কারখানা তৈরি করতে কয়েক মাস লাগে; বিনিয়োগের টাকা ফেরত পেতে লাগে বহু বছর।
তাই বিনিয়োগকারী ভবিষ্যৎ নিয়ে নিশ্চয়তা চান।
আজ যে সরকার ক্ষমতায় আছে, কাল সরকার পরিবর্তন হলেও কি আমার সম্পদ নিরাপদ থাকবে?
আজ যে রাজনৈতিক ব্যক্তি প্রভাবশালী, কাল তিনি ক্ষমতার বাইরে গেলেও কি আমার ব্যবসা নিরাপদ থাকবে?
আমার বিরুদ্ধে অন্যায় হলে কি আমি নিরপেক্ষ প্রশাসন ও আদালতের কাছে প্রতিকার পাব?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর যদি ‘হ্যাঁ’ না হয়, তাহলে বিনিয়োগের পরিবেশ কখনো স্থায়ীভাবে ভালো হতে পারে না।
রাজনীতি যখন ব্যবসার লাইসেন্স হয়ে যায়
একটি সুস্থ অর্থনীতিতে ব্যবসায়ীর পরিচয় হওয়া উচিত—তিনি একজন উদ্যোক্তা।
তার রাজনৈতিক পরিচয়, ব্যক্তিগত সম্পর্ক কিংবা ক্ষমতাবান কারও সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তার ব্যবসার সাফল্যের পূর্বশর্ত হতে পারে না।
কিন্তু যখন রাজনীতি ব্যবসার ঢাল হয়ে দাঁড়ায়, তখন বাজারের স্বাভাবিক প্রতিযোগিতা নষ্ট হয়।
যোগ্য উদ্যোক্তা পিছিয়ে পড়েন।
প্রভাবশালী উদ্যোক্তা এগিয়ে যান।
ফলে অর্থনীতিতে তৈরি হয় একটি ভয়ংকর বৈষম্য—
যেখানে দক্ষতার চেয়ে পরিচয় গুরুত্বপূর্ণ, সেখানে উৎপাদনের চেয়ে পৃষ্ঠপোষকতা বেশি লাভজনক হয়ে ওঠে।
এমন পরিবেশে প্রকৃত উদ্যোক্তা দেশে বিনিয়োগ না করে অপেক্ষা করেন, বিনিয়োগ স্থগিত রাখেন কিংবা বিকল্প নিরাপদ দেশে পুঁজি রাখার চিন্তা করেন।
দুর্নীতির আন্তর্জাতিক সূচকও আমাদের সতর্ক করছে
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের ২০২৫ সালের Corruption Perceptions Index-এ বাংলাদেশ ১৮২টি দেশের মধ্যে ১৫০তম, স্কোর ২৪/১০০।
এই সূচক সরাসরি অর্থপাচারের পরিমাণ মাপে না। কিন্তু এটি রাষ্ট্রীয় খাতে দুর্নীতির বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীদের ধারণার একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সূচক।
আর ব্যবসার পরিবেশে আস্থার প্রশ্নে এই ধারণার গুরুত্ব অনেক।
কারণ একজন বিনিয়োগকারী শুধু আজকের লাভ দেখেন না; তিনি দেখেন আগামী দশ বছর তার ব্যবসা কোন পরিবেশে চলবে।
অর্থপাচার বন্ধ করতে হলে শুধু টাকা আটকালে হবে না
অর্থপাচারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অবশ্যই প্রয়োজন।
কিন্তু শুধু বিমানবন্দর, ব্যাংক, সীমান্ত কিংবা আর্থিক লেনদেনে নজরদারি বাড়িয়ে দীর্ঘমেয়াদে সমস্যার সমাধান হবে না।
প্রশ্ন করতে হবে—
কেন টাকা বাইরে যাচ্ছে?
যদি অবৈধ অর্থ হয়, তাহলে অপরাধের অর্থ কোথা থেকে তৈরি হলো?
যদি বৈধ অর্থ হয়, তাহলে মালিক কেন দেশে বিনিয়োগ করতে ভয় পাচ্ছেন?
যদি বিদেশে বিনিয়োগ বেশি লাভজনক হয়, তাহলে দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ কেন প্রতিযোগিতামূলক নয়?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না খুঁজে শুধু অর্থপাচারকারীদের ধরলে সমস্যার একটি অংশের চিকিৎসা হবে, রোগের মূল কারণ থেকে যাবে।
পুঁজি আটকে রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো আস্থা তৈরি করা
রাষ্ট্র যদি সত্যিই চায় দেশের অর্থ দেশে থাকুক, তাহলে কয়েকটি বিষয়ে মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে।
প্রথমত—আইনের শাসন।
ব্যবসায়ী ধনী না গরিব, কোন রাজনৈতিক দলের সমর্থক, কার সঙ্গে তার সম্পর্ক—এসব বিবেচনা না করে আইনকে সবার জন্য সমান করতে হবে।
দ্বিতীয়ত—সম্পত্তির নিরাপত্তা।
বৈধভাবে অর্জিত সম্পদের মালিকানা রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে। অবৈধ সম্পদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবে, কিন্তু বৈধ সম্পদের মালিক যেন হয়রানির শিকার না হন।
তৃতীয়ত—দখলবাজি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা।
কোনো রাজনৈতিক পরিচয় যেন কাউকে অন্যের সম্পদ বা ব্যবসা দখলের লাইসেন্স না দেয়।
চতুর্থত—প্রশাসনিক সংস্কার।
একটি ব্যবসা শুরু করতে যত বেশি অনুমোদন, কাগজপত্র ও দপ্তরনির্ভরতা থাকবে, দুর্নীতির সুযোগ তত বাড়বে। তাই ডিজিটালাইজেশন, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করতে হবে।
পঞ্চমত—ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা।
ব্যাংক যদি রাজনৈতিক প্রভাব ও অনিয়মের শিকার হয়, তাহলে বিনিয়োগকারীর আস্থাও নষ্ট হবে। শক্তিশালী ব্যাংকিং ব্যবস্থা ছাড়া শক্তিশালী বিনিয়োগ ব্যবস্থা সম্ভব নয়।
ষষ্ঠত—রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা।
সরকার পরিবর্তন হবে, রাজনৈতিক দল পরিবর্তন হবে—এটাই গণতন্ত্রের স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু সরকারের পরিবর্তনের সঙ্গে ব্যবসার নিরাপত্তা, সম্পত্তির অধিকার ও বিনিয়োগ নীতির মৌলিক নিশ্চয়তা যেন পরিবর্তিত না হয়।
দেশপ্রেম দিয়ে পুঁজি আটকে রাখা যায় না
আমরা প্রায়ই বলি—দেশের টাকা দেশে রাখুন, দেশকে ভালোবাসুন, দেশেই বিনিয়োগ করুন।
কথাটি অবশ্যই সত্য।
কিন্তু বাস্তব অর্থনীতিতে শুধু দেশপ্রেম দিয়ে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত হয় না।
একজন উদ্যোক্তা তার সারাজীবনের সঞ্চয় একটি কারখানায় বিনিয়োগ করবেন। সেখানে হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। তিনি দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখবেন।
কিন্তু বিনিময়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো তাকে নিরাপত্তা দেওয়া।
দেশ উদ্যোক্তার কাছ থেকে শুধু বিনিয়োগ চাইবে, কিন্তু নিরাপত্তা দেবে না—এটা টেকসই অর্থনৈতিক নীতি হতে পারে না।
বাংলাদেশের সামনে তাই মূল প্রশ্ন একটাই
আমরা কি এমন বাংলাদেশ তৈরি করতে চাই যেখানে মানুষ টাকা আয় করে বিদেশে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজবে?
নাকি এমন বাংলাদেশ তৈরি করতে চাই যেখানে একজন মানুষ বলবে—
“আমার টাকা, আমার ব্যবসা, আমার সম্পদ—সবচেয়ে নিরাপদ আমার নিজের দেশেই।”
দ্বিতীয় বাংলাদেশ তৈরি করতে হলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, অপরাজনীতির বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিরোধ, দখলবাজির বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ এবং বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।
কারণ অর্থপাচার অর্থনীতির শুধু একটি অপরাধ নয়; অনেক সময় এটি রাষ্ট্রের প্রতি আস্থাহীনতারও একটি উপসর্গ।
যেখানে আইন দুর্বল, সেখানে পুঁজি নিরাপত্তা খোঁজে।
যেখানে রাজনীতি ব্যবসাকে নিয়ন্ত্রণ করে, সেখানে উদ্যোক্তা বিকল্প পথ খোঁজে।
যেখানে দখলবাজি আছে, সেখানে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ভয় পায়।
আর যেখানে দুর্নীতি ব্যবসার খরচ হয়ে দাঁড়ায়, সেখানে উৎপাদনশীল পুঁজি ধীরে ধীরে দেশ থেকে দূরে সরে যায়।
শেষ কথা
বাংলাদেশের অর্থনীতি শুধু সরকারের টাকা দিয়ে বড় হবে না। দেশের লাখ লাখ মানুষের সঞ্চয়, উদ্যোক্তার পুঁজি, প্রবাসীর অর্থ এবং বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎপাদনশীল খাতে আনতে হবে।
তাই অর্থপাচার বন্ধের সবচেয়ে বড় কৌশল হতে পারে—
দেশকে এমন একটি নিরাপদ বিনিয়োগের ঠিকানা বানানো, যেখান থেকে পুঁজি পালাতে চাইবে না।
কারণ—
“পুঁজি শুধু বেশি লাভের জন্য দেশ ছাড়ে না; অনেক সময় পুঁজি নিরাপত্তার জন্য দেশ ছাড়ে।
আর যে রাষ্ট্র তার পুঁজিকে নিরাপত্তা দিতে পারে না, সে রাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত তার কর্মসংস্থান, উৎপাদন ও ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধিকেও হারায়।”
বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে তাই এখন শুধু প্রবৃদ্ধির প্রশ্ন নয়—
প্রশ্ন হলো আস্থার।
মানুষকে এমন নিশ্চয়তা দিতে হবে—
“তুমি বৈধ পথে সম্পদ অর্জন করো, দেশে বিনিয়োগ করো; রাষ্ট্র তোমার সম্পদ, অধিকার ও বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।”
এই আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারলেই দেশের অর্থ দেশে থাকবে, বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং অর্থনীতির ভিত শক্ত হবে।
দুর্নীতি বন্ধ করা তাই শুধু নৈতিক দায়িত্ব নয়—এটি এখন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক টিকে থাকারও অন্যতম পূর্বশর্ত।

লেখক কলামিস্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক গবেষক এবং আহ্বায়ক গনঅধিকার পরিষদ সরিষাবাড়ি উপজেলা শাখা জামালপুর

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট