1. 6Pr8ATtqVi7RBp@gmail.com : 6Pr8ATtqVi7RBp :
  2. : lf_flvdbCnglkgU :
  3. live@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪ : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪
  4. info@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪ :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন

যমুনা সার কারখানা এখন বাফার গুদাম, আড়াই বছর ধরে উৎপাদন বন্ধ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের অন্যতম বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) আওতাধীন যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (জেএফসিএল)-এ প্রায় আড়াই বছর ধরে উৎপাদন বন্ধ থাকায় বর্তমানে এটি বাফার গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গ্যাস সংকটের কারণে কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ থাকলেও বিদেশ থেকে আমদানি করা এবং দেশের বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদিত ইউরিয়া সার এখানে মজুত করে সীমিত পরিসরে ডিলারদের মাধ্যমে সরবরাহ করা হচ্ছে।

স্থানীয় সার ব্যবসায়ী, নিবন্ধিত ডিলার, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করে কারখানাটি পূর্ণমাত্রায় চালু করা হলে দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় সম্ভব হবে।

যমুনা সার কারখানার নিবন্ধিত ডিলার চান মিয়া চানু বলেন, “একসময় যমুনা সার কারখানা থেকে ১৯টি জেলার কৃষকদের কাছে নিয়মিত ইউরিয়া সার সরবরাহ করা হতো। এটি একটি লাভজনক রাষ্ট্রীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ছিল। দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ থাকায় সার আমদানির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। এতে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট আর্থিকভাবে লাভবান হলেও রাষ্ট্র ক্ষতির মুখে পড়ছে।” তিনি আরও বলেন, “কারখানাটি পুনরায় চালু হলে দেশের কৃষি খাত আরও শক্তিশালী হবে এবং বিদেশ থেকে সার আমদানির প্রয়োজন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, উৎপাদনের জন্য নির্মিত আধুনিক এ কারখানাটি দীর্ঘদিন ধরে কেবল সার সংরক্ষণ ও বিতরণকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে একদিকে রাষ্ট্রীয় সম্পদের যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে না, অন্যদিকে উৎপাদন সক্ষমতাও অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

যমুনা সার কারখানার জিএম (অপারেশন) মো. ফজলুল হক জানান, গ্যাস সংকটের কারণে প্রায় আড়াই বছর ধরে কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। যমুনা সার কারখানা আবার গ্যাস সংযোগ পাবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।

কারখানার জিএম (বাণিজ্যিক) আব্দুল হামীম বলেন, “যমুনা সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ থাকায় আমাদের সার আমদানি করতে হচ্ছে।” যমুনা সার কারখানা বাফার গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “বিসিআইসি কর্তৃপক্ষ কেবল বাফার গুদামগুলোতে সার সরবরাহ করে থাকে। তাই যমুনা সার কারখানায় আসা সারের চালানপত্রে ‘বাফার গুদাম’ উল্লেখ করা হচ্ছে। এর বাইরে অন্য কোনো বিষয় নয়।”

এ বিষয়ে জানতে যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আফাজ উদ্দিনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট