1. multicare.net@gmail.com : দৈনিক জামালপুরসংবাদ ২৪ :
বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
নরসিংদীতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলি ও টেটা বৃদ্ধ হয়ে পুলিশ সহ ১০জন আহত সরিষাবাড়ীতে ছুরিকাঘাতে স্ত্রীর মৃত্যুসহ ২জনের মরদেহ উদ্ধার সরিষাবাড়ীতে সংখ্যালঘুর বাড়ীতে হামলা-ভাংচুর, মারপিট।। থানায় অভিযোগ.. নরসিংদীতে আগ্নেয়াস্ত তৈরির কারখানার সন্ধান গ্রেপ্তার এক নরসিংদী জেলায় প্রতারক চক্রের নিকট জিম্মি চামড়ার মালিক মধুপুরে ভিজিএফ এর চাল বিতরণে বাঁধা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে লাঞ্চিত দেশবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গাজীপুর মিডিয়া ক্লাব আহবায়ক – তারেক রহমান জাহাঙ্গীর নরসিংদীর শিবপুরে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ নরসিংদীর শিবপুরে ঈদ সামগ্রীর বিতরণ করলেন আলহাজ্ব সাখাওয়াৎ হোসেন সুমন রিকুইজিশনের নিয়ম মেনেই শিক্ষার্থীদের গাড়ি দেওয়া হয়েছে: বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

৫ বছর পর চাঞ্চল্যকর কুলেস বিউটি হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করল পিবিআই, সিরাজগঞ্জ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ মে, ২০২৩
  • ৬১৫ বার পড়া হয়েছে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
৫ বছর পর চাঞ্চল্যকর কুলেস বিউটি হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করল পিবিআই, সিরাজগঞ্জ
আসামী গ্রেফতার, তিনজন আসামীর বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান।

 


গত ১৩/০৫/২০১৮ দিবাগত রাত্রী অনুমান ১০,০০-১০.৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিম বিউটি খাতুন তার নিজ শয়ন ঘরে ঘুমিয়ে পরে।
পরবর্তীতে রাত্রী অনুমান ০২.৪৫ ঘটিকার সময় অর্থাৎ ১৪/০৫/২০১৮ খ্রিঃ ভিকটিমের মাতা মোছাঃ কোমেলা খাতুন ঘুম থেকে উঠে প্রকৃতির ডাকে

 


সাড়া দিতে গিয়ে দেখেন ভিকটিমের ঘরের দরজা (কওড়) অর্ধখোলা অবস্থায় আছে। সেই সময় বিউটির মা বিউটিকে নাম ধরে ডাকলে বিউটি কোন
সাড়া-শব্দ না করলে বিউটির মা বিউটির শরীরে হাত দিয়ে ডাকাডাকি করলে এবং বিউটির শরীর শীতল ও নিস্তেজ দেখে চিৎকার দিলে বিউটির

 


পরিবারের অন্যান্য লোকজন এসে ঘরের আলো জ্বালিয়ে ভিকটিম (বিউটি)কে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। বিউটির পরিবারের লোকজনের চিৎকারে
স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে বিউটিকে মৃত অবস্থায় দেখে থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়। থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিমের মৃত

দেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মৃত দেহের ময়না তদন্তের ব্যবস্থা করেন। পরবর্তীতে উক্ত ঘটনা সংক্রান্তে ভিকটিমের পিতা-মোঃ সাচ্চু মিয়া,
পিতা-মৃত নুরুল হক মোল্লা, সাং-ব্রাহ্মণগ্রাম, থানা-এনায়েতপুর, জেলা-সিরাজগঞ্জ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী করে এনায়েতপুর থানায় একটি
নিয়মিত হত্যা মামলা দায়ের করেন। যাহা এনায়েতপুর থানার মামলা নং-০৪, তাং-১৪/০৫/২০১৮ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড।
মামলা রুজু হওয়ার পর উক্ত মামলাটি থানা পুলিশের পাশাপাশি পিবিআই, সিরাজগঞ্জ টিম ছায়া তদন্ত করতে থাকে। থানা পুলিশ মামলাটি

তদন্ত করাবস্থায় মামলা রুজুর প্রায় ০২ (দুই) বছর পরে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা মামলাটি পিবিআইকে তদন্ত করার
জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা এর নির্দেশে পিবিআই, সিরাজগঞ্জ মামলাটির তদন্ত শুরু করে। মামলাটি তদন্তকালে পুলিশ
সুপার, পিবিআই, সিরাজগঞ্জ এর দিক নির্দেশনায় মামলার সন্দিগ্ধ আসামী মোঃ ওমর ফারুক (২৮), পিতা-মোঃ আঃ রাজ্জাক, সাং-ব্রাহ্মণগ্রাম, থানা-
এনায়েতপুর, জেলা-সিরাজগঞ্জকে গত ১৬/০২/২০২১ খ্রিঃ গাজীপুর জেলা, ঢাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির
সহায়তায় গত ২৩/০৫/২০২৩ খ্রিঃ এবং ২৫/০৫/২০২৩ খ্রিঃ আরো ০৩ (তিন) জন সন্দিগ্ধ আসামী গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে, ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারার জবানবন্দি পর্যালোচনা এবং সার্বিক তদন্তে জানা যায় যে, ভিকটিম
বিউটি খাতুন (২২) এর কোচগাঁও গ্রামে জনৈক মোঃ আব্দুল্লাহ এর সাথে ২০১৪ সালে বিয়ে হয়। স্বামীর সাথে বিউটির বনিবনা না হওয়ায় ২০১৭
সালে বিউটি পিতার বাড়ীতে চলে আসে। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পারিবারিক ভাবে মীমাংসার মাধ্যমে বিউটির স্বামীর সাথে বিউটির খোলা
তালাক হয়। বিউটি পিতার বাড়ীতে থাকাকালে প্রতিবেশী ওমর ফারুক, পিতা-আঃ রাজ্জাক বিউটির সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলত এবং মাঝে
মধ্যেই বিউটিকে বিয়ের প্রস্তাব দিত। ওমর ফারুক বিবাহিত হওয়ায় বিউটি, ওমর ফারুকের বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হলেও তাদের মধ্যে মোবাইলে
কথা হত । ঐ সময় বিউটির ছোট বোন মোছাঃ আলোমতির স্বামীর পরিবারের সাথে ঝামেলা হলে বাদী সাচ্চু মিয়া তাদের পার্শ্ববর্তী গ্রামের প্রভাবশালী
মোঃ স্বপন ব্যাপারী(৩৭), পিতা-মৃত আমির হোসেন, সাং-খোকশাবাড়ী, থানা-এনায়েতপুর, জেলা-সিরাজগঞ্জকে বিষয়টি সমাধান করার জন্য
ভিকটিমের মোবাইল দিয়ে ফোন করে অনুরোধ করে। স্বপনের মাধ্যমে বিউটির ছোট বোন আলোমতির স্বামীর বাড়ীর সমস্যার সমাধান হওয়ায়
বিউটির পরিবারের সাথে স্বপনের সু-সম্পর্ক তৈরি হয়। ভিকটিমের ছোট খালা আন্না মাদক ব্যবসা করায় সে বিউটির মোবাইল দিয়ে স্বপনের সাথে
মাঝে মধ্যে কথা বলত। অপর দিকে স্বপন মাদক সেবী হওয়ায় মাঝে মধ্যে স্বপন আন্নার বাড়ীতে যাওয়া আসা করত এবং মাদক সেবন করত। সেই
সুবাদে বিউটির সাথেও স্বপনের দেখা সাক্ষাৎ হত এবং মোবাইলে কথাবার্তা হত। স্বপন, বিউটির সাথে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা করত। কিন্তু
স্বপন সরাসরি বিউটিকে প্রস্তাব দিতে না পেরে আন্নাকে জানায়। পরবর্তীতে স্বপন আন্নার মাধ্যমে বিউটির সাথে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করে। বিউটির
ছোট খালা আন্নার মাধ্যমে আন্নার বাড়ীতে স্বপন নিয়মিত বিউটির সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করত। এমতাবস্থায় বিউটির পিতা অর্থাৎ বাদী সাচ্চু মিয়া
স্বপনকে বলেন তার প্রতিবেশী ওমর ফারুক বিউটিকে ডিসটার্ব করে তাকে একটু শাসন করে দিতে হবে। স্বপন এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় সে ওমর
ফারুককে শাসন করে। বিউটির সাথে স্বপনের অনুমান ০২ (দুই) মাস সম্পর্ক চলার পরে বিউটিকে বিয়ে করার জন্য স্বপনকে চাপ দেয়। স্বপন
বিবাহিত হওয়ায় বিউটিকে বিয়ে করতে রাজি না হলে বিউটি স্বপনকে জানায় বিউটি অন্তঃসত্ত্বা। পরবর্তীতে বিউটি স্বপনের উপর আরো বেশী চাপ
সৃষ্টি করলে স্বপন কি করবে তা ভেবে না পেয়ে ঘটনার ১০/১২ দিন আগে প্রতিবেশী ওমর ফারুককে ডেকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে। স্বপন
বিউটিকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে এবং ওমর ফারুককে স্বপনের সাথে থাকতে বলে। কিন্তু ওমর ফারুক রাজি না হলে স্বপন ওমর ফারুককে ভয়-
ভীতি দেখায়। স্বপন বিউটির সাথে ওমর ফারুকের পূর্বের সম্পর্কের বিষয় দিয়ে ব্লাকমেইল করে হত্যার পরিকল্পনায় সাথে নেয়। পরে স্বপন বিউটির
ছোট খালা আন্নার কাছে বিউটিকে হত্যা করার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু আন্না তার নিজের ভাগনিকে হত্যা করতে রাজী না হলে স্বপন তাকে টাকার লোভ
দেখিয়ে রাজী করায়। বিনিময়ে স্বপন ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা আন্নাকে দিতে চায়। স্বপন ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা এবং ওমর
ফারুক ৩০,০০০/-(ত্রিশ হাজার) টাকা সর্বমোট ৫০,০০০/-(পঞ্চাশ হাজার) টাকা আন্নাকে দেয়। তখন বিউটির ছোট খালা তার আপন মেজো
বোন আনু বেগমকে ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা দিয়ে বিউটিকে হত্যা করতে সহায়তা করতে বলে। আনু বেগম তার স্বামী মোমিন এর সাথে কথা
বলে

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized BY LatestNews