1. multicare.net@gmail.com : দৈনিক জামালপুরসংবাদ ২৪ :
বুধবার, ২৬ জুন ২০২৪, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
গোদাগাড়ীতে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী পুলিশ সদস্যের এক ছেলে নিহত । নরসিংদীতে তিন বছরের শিশু মাইশার লাস উদ্ধার আটক তিন সংকোচিত হয়েছে নির্যাতিতদের প্রতিকারের পথ : বাংলাদেশ ন্যাপ বকশীগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন বিশ্বনাথে ট্রাকসহ ২২০ বস্তা ভারতীয় চিনি পুলিশের জব্ধ গোয়াইনঘাটে টাস্কফোর্সের অভিযানে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় চিনি জব্দ দোয়ারাবাজারে বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় কসমেটিকস, সুপারি ও নাসির বিড়ি জব্ধ সিলেটে মুক্তিপণ আদায়কারীদের হাতে যুবক খুনের ঘটনায় ১ জন গ্রেফতার গোদাগাড়ীতে রিকশা চালককে গরম রড দিয়ে রাতভর নির্যাতন, গ্রেফতার ১। সরিষাবাড়ীতে আবারো সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা, মোবাইল ছিনতাই, ৯৯৯ এ কল

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের স্মৃতিময় দিন। আব্দুস সামাদ আজাদ তারা।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ মে, ২০২৩
  • ৮০৫ বার পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

 ১৭ মে  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার  স্বদেশ   প্রত্যাবর্তন দিবস। ৪২ বছর আগে দলের ঐক্যের প্রতীক হয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী  জননেত্রী  শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসেন।

১৯৮১ সালের এই দিনে দীর্ঘ ছয় বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে তিনি স্বদেশের মাটিতে পা রাখেন । ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর   রহমানকে সপরিবারে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর জার্মানিতে  অবস্থান করার  কারণে ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান দুই বোন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

১৫ আগস্টের ঘটনার পর দিশাহীন  আওয়ামী লীগের ঐক্যের প্রতীক হয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা বাংলার মাটিতে ফিরে আসেন।বঙ্গবন্ধুকন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতির দায়িত্বভার কাঁধে নিয়ে দেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তনের পর থেকে এই দীর্ঘ ৪২ বছরের পথচলায় নিজ আলোয় আলোকিত  হয়ে  জয়রথ ছুটিয়ে বিশ্বসভায় আজ তিনি বাংলাদেশের শেখ হাসিনা।

ফখউদ্দিন মুইন উদ্দিনের  সময় যখন  বাংলাদেশে  প্রবেশের নিষেধ করা হয়   বাংলাদেশে ৃতখন  আমরা  যুক্ত রাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সদস্যরা আমি  সহ কয়েকজন  সফর সঙ্গী  হয়ে  দেশের মাটিতে পা রাখি।  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা  সহ আমরা ক জন। শেখ হাসিনা  বারাবার নিষেধ করতে  লাগলেন  বললেন  তোমাদের  পরিবার আছে  তোমরা  ফিরে যাও, আমার  সাথে  দেখলে তোমাদের কেও মেরে ফেলবে। 

কোন ভাবেই যখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে একা ছাড়িনী একই বিমানে আসতেছি  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ আমরা। বিমান  বাংলাদেশে নামার আগমুহূর্তে   বলতে লাগলেন  বিমান বন্দর  টার্মিনালে পৌছালে  তোমারা আমার থেকে দুরে দুরে থাকবে যাতে বুঝতে  না  পারে তোমরা আমার  সাথে  এসেছো তাহলে আরও বেশী বিপদ  হবে অত্যাচার করবে তোমাদের উপর। 

 

আজ থেকে   ৪২ বছর আগে বাংলাদেশে মাটিতে ফিরে আসার সংগ্রামী সাহসী পথচলার মনে প্রাণে স্মরণ করি বার বার।  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফর সঙ্গী হয়েছি ১৭ বার। 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পথচলা এত সহজ  ছিল না। ছিল প্রতি পদে পদে বাধা। সেই বাধা এখনও আছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ‘ছয়টি বছর আমরা বিদেশর মাটিতে ছিলেন। ১৯৮১ সালে বঙ্গবন্ধুর হাতে  গড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দিশেহারা হয়ে  পড়ে, শেখ হাসিনার   অনুপস্থিতিতে দলের সভানেত্রী নির্বাচিত করা হয়, দলের হাল ধরেন শেখ হাসিনা।  সেই সময় অনেক বাধা  মিলিটারি ডিক্টেটর ক্ষমতায়।

শেখ হাসিনাকে কিছুতেই দেশে আসতে দেবে না। তিনি  অনেক সংগ্রাম করে দেশে ফিরে আসেন  জনগণের সমর্থন নিয়ে। বিমান বন্দর  টার্মিনাল গেটে যখন দেখতে পেলেন ফুলের তোরা নিয়ে দাড়িয়ে আছেন অনেক অনেক নেতা কর্মী তাকে বরণ  করার জন্য তখন একটু সাহস ফিরে  পেলােন শেখ হাসিনা।  বিদেশে  অবস্থান রত সবসময় বলতেন    এই বাংলাদেশকে ঠিক সেই  ভাবে সাজাবো   যেভাবে জাতির জনক  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান  সাজাতে  চেয়েছিলেন।

দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছিলেন, মানুষের মৌলিক অধিকার পূরণ করতে চেয়েছিলেন- সেভাবেই আমি গড়ে তুলব ইনশাআল্লাহ। 

১৯৮১ সালের ১৭ মে  বিকেল সাড়ে ৪টায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের বোয়িং বিমানে ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে কলকাতা হয়ে ঢাকার তৎকালীন কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে এসে শেখ হাসিনা পৌছালে সেদিন  দলীয় নেতা কর্মীরা  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে কতোটা  ভালো বাসে সেদিন বুঝে ছিলেন। জনগণের  ভালো বাসায় সিক্ত হয়েছিলেন সেদিন। বুঝতে পেরে ছিলেন ভালো বাসা বৈরী  আবহাওয়া উপেক্ষা করে শেখ হাসিনাকে এক নজর দেখার জন্য কুর্মিটোলা বিমানবন্দর থেকে শেরেবাংলা নগর এলাকাজুড়ে লাখো জনতার ঢল নেমেছিলো। 

 দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জনতার স্রোত ছুটে এসেছিল বঙ্গবন্ধুকন্যাকে বরণ করে নিতে। । জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হারিয়ে দিশাহারা আওয়ামী লীগ পেয়েছিল আলোর দিশা। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন দিনের আগমনী বার্তা নেতা কর্মীরা ফিরে  পেল নতুন  নেতৃত্ব। শেখ হাসিনাকে কাছে  পেয়ে  তাৎক্ষণিক  স্বাধীনতার অমর স্লোগান, ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ ধ্বনিতে জনতার কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছিল, ‘শেখ হাসিনার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’।

বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে দিতে, বাঙালি জাতির অস্তিত্বকে বিপন্ন করতে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা শুরু করে নানামুখী নীলনকশা।

বাঙালি জাতির জীবনে নেমে আসে কালো অধ্যায়  এমনই এক ক্রান্তিকালে ১৯৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধুকন্যা দীর্ঘ ছয় বছরের নির্বাসন শেষে বাংলাদেশে ফিরে আসেন স্বদেশে। 

দেশের মাটিতে পা রাখার আগেই বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ১৪, ১৫, ও ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় কাউন্সিলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করেন নেতৃবৃন্দ ।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের দৃঢ় অঙ্গীকার, বঙ্গবন্ধু হত্যা ও জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার, স্বৈরতন্ত্রের চির অবসান ঘটিয়ে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, প্রত্যয়  সংসদীয় পদ্ধতির শাসন ও সরকার প্রতিষ্ঠার শপথ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন শেখ হাসিনা।

বাংলার মানুষের হারিয়ে যাওয়া অধিকার পুনরুদ্ধার করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বারবার সামরিক স্বৈরাচারের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেছেন শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক পথচলায় বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে  গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা,হয়ে আজ  বাঙালির ভাত ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। 

বাংলাদেশের মানুষের জীবনের মানোন্নয়ন করে এক সময়ের মঙ্গা কবলিত, দুর্ভিক্ষ জর্জরিত বাংলাদেশ আজকে সারাবিশ্বে একটি আত্মমর্যাদাশীল ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিনত  করেছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর খুনি ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ সম্পাদন এবং রায় কার্যকর করা হয় তার সরকারের আমলে।১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে লাখ লাখ জনতার সংবর্ধনার জবাবে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তার আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণে আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই’।সেদিন তিনি আরও বলেছিলেন ‘আমার আর হারানোর কিছুই নেই। পিতা-মাতা, ভাই রাসেল- সবাইকে হারিয়ে আমি আপনাদের কাছে ফিরে  এসেছি। আমি আপনাদের মাঝেই তাদেরকে ফিরে পেতে চাই। আপনাদের নিয়েই আমি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে বাঙালি জাতির আর্থসামাজিক তথা সার্বিক মুক্তি ছিনিয়ে আনতে চাই।

’পিতার আদর্শ অনুপ্রেরণায় পথ চলতে গিয়ে বারবার আঘাত ও বাধার সম্মুখীন হয়েছেন শেখ হাসিনা।তবু্ও  কখনও সামরিক স্বৈরশাসকদের রোষানলে পড়ে, কখনও নির্বাচিত সরকারের আমলে, কখনও নিজ দলের ভেতরে। তারপরও তিনি আওয়ামী লীগের দায়িত্বভার পালনের পাশাপাশি তার দল আওয়ামী লীগকে চারবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন করতে সক্ষম হয়েছেন।

 দীর্ঘ নেতৃত্বের দায়িত্বভারের পথচলায় প্রায়সই বলে থাকেন  বয়সের কথা। সুযোগ পেলেই স্মরণ করিয়ে দেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

দলের নেতাদের সামনেও বয়সের কথাটি স্মরণ করিয়ে দিয়ে আগামী দিনের নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুতি গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন  শেখ হাসিনা, তিনি  সব ভালো  বাসা উজার করে দিয়েছেন জনগণের সার্থে। 

সেই ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে তিনি চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বর্তমানে দেশ পরিচালনা করছেন। রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করেছেন সব সংকট ও আঘাতের ক্ষত।

কখনও ষড়যন্ত্র বা অপকৌশলের আশ্রয় নেননি তিনি । বঙ্গবন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের হত্যার বিচার প্রধানমন্ত্রী থেকেও বিশেষ কোনো ট্রাইব্যুনালে করেননি তিনি।  কতবার তার প্রাণনাশের ষড়যন্ত্র হয়েছে, হামলা হয়েছে।

 গণমানুষের জন্য নিবেদিতভাবে শ্রম দিয়ে কোনোদিনই, এক মুহূর্তের জন্যও ক্লান্তির ছাপ আড়াল করতে হয় না, বরং মা যেমন সংসারের সবকিছু, সবার আলাদা-আলাদা রুটিন ও অবস্থা খেয়াল রাখেন দেশটাও যেন প্রধানমন্ত্রী সেভাবেই চালাচ্ছেন  । দক্ষ দেশ পরিচালক শেখ হাসিনা বিশ্বব্যাংকের অন্যায় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পদ্মাসেতু নিজেদের অর্থায়নে নির্মাণ করে দিয়েছেন বিশ্ববাসিকে।   জঙ্গি দমনের মতো অসাধ্য সাধন করেছেন তিনি। রাজনীতি-অর্থনীতির বিশ্লেষকদের কাছে তার নেতৃত্বকে রহস্যময় কঠিন প্রতিজ্ঞাদীপ্ত করে তোলেছেন তিনি।

এশিয়া প্যাসেফিক অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও পারস্পরিক সহায়তা বৃদ্ধি বেগবান করতে পশ্চিমাদের শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান তাকে করে তোলে বিশ্বনন্দিত।

পার্বত্য শান্তি চুক্তি, গঙ্গার পানি চুক্তি, সমুদ্রসীমার নিষ্পত্তি, দীর্ঘদিনের স্থল সীমানা সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা যেকোনো একটি সাফল্যই তার অবিস্মরণীয় নেতা হতে যথেষ্ট ছিল। কিন্তু অর্জনের সোপানে অগ্রসরমান থেকে কখনও আত্মপ্রসাদে আত্মতুষ্ট হয়ে পড়েননি তিনি। তিনি নিরলস ও অক্লান্ত পরিশ্রম করে দুর্যোগে-সংকটে দেশ এবং দল পরিচালনা করছেন দৃঢ়তার সহিত ।

তাই তিনি কখন যে নেতা কর্মীদের কাছে আপা থেকে নেত্রী, নেত্রী থেকে জননেত্রী, জননেত্রী থেকে দেশরত্ম হয়ে উঠেছেন তা নিজেও খেয়াল  করেননি।  তিনি আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি তা নয় এর  বাইরেও একজন অভিভাবক। অবসরে বই পড়েন, লেখালেখি করেন। জাতির পিতার স্মৃতি রক্ষায় কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

দেশের উন্নয়নে সরকারের দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ভাবনার কথা বিবেচনা করে হাতে নিয়েছেন মেগা প্রজেক্ট। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আগামী দিনে বাংলাদেশকে রক্ষায় নিয়েছেন বদ্বীপ পরিকল্পনা। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প, ডিজিটাল বাংলাদেশ, নারীর ক্ষমতায়ন, কমিউনিটি ক্লিনিক ও শিশু বিকাশ, সবার জন্য বিদ্যুৎ, আশ্রয়ণ প্রকল্প, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, শিক্ষাসহায়ক কার্যক্রম, বিনিয়োগ বিকাশ এবং পরিবেশ সুরক্ষা, মুজিববর্ষ উপলক্ষে সবার জন্য ঘর, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সবদিকে নানামুখী পদক্ষেপ ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে অক্লান্ত এক সৈনিক শেখ হাসিনা। 

কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থায় পাঠ সম্পন্নকারীদের মূলধারায় যুক্ত রাখতে তিনি কওমি শিক্ষার স্বীকৃতি প্রদান করেছেন। নিমতলীর অগ্নিকাণ্ডের পর তিন কন্যার ভেঙে যাওয়া বিবাহের সম্বন্ধ পুনঃস্থাপনে, রানা প্লাজা থেকে উনিশ দিন পর উদ্ধার হওয়া রেশমা আক্তারকে দেখতে গিয়ে, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত দশ লক্ষাধিক বিদেশি নাগরিককে সোয়া এক বছরের ওপরে উদার হস্তে ভরণ পোষণের ব্যবস্থায় তার মানবিকতার স্বীকৃতি দেশ ছাপিয়ে আজ তিনি বিশ্বনেত্রী।

 

বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিবের ঘর আলো করে ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জন্ম গ্রহণ করেন। বাবা-মা আদর করে ডাকতেন হাসু। 

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচি হিসাবে দেশের  বাহিরে  অবস্থান রত   আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে  দোয়া ও মিলাদ মাহফিল করা হয়েছে। ,

‘বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ’৭৫ পরবর্তী বাংলাদেশের হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছেন এবং তার নেতৃত্বে বাঙালি জাতি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে যাচ্ছে।

 যুক্ত রাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক  আব্দুস সামাদ আজাদ তারা  বেলন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের  বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকান্ডের  পর শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ছিলো একটি  যুগান্তকারী ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।

 

তিনি গত চার দশকের বেশি সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। দিবসটি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের জন্য সারাদেশে  দেশের বাহিরে  আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের প্রতি  ধন্যবাদ জানিয়েছেন ।আমি একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে  মাননীয় মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্থ ও  দীর্ঘ  হায়াত কামনা করছি। সেই  সাথে  আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জামালপুর ৪ সরিষাবাড়ী ১৪১ আসনের এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশি হিসেবে আপনাদের  দোয়া  ও  সমর্থন আশা করছি। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized BY LatestNews