1. multicare.net@gmail.com : দৈনিক জামালপুরসংবাদ ২৪ :
বুধবার, ২৬ জুন ২০২৪, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
গোদাগাড়ীতে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী পুলিশ সদস্যের এক ছেলে নিহত । নরসিংদীতে তিন বছরের শিশু মাইশার লাস উদ্ধার আটক তিন সংকোচিত হয়েছে নির্যাতিতদের প্রতিকারের পথ : বাংলাদেশ ন্যাপ বকশীগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন বিশ্বনাথে ট্রাকসহ ২২০ বস্তা ভারতীয় চিনি পুলিশের জব্ধ গোয়াইনঘাটে টাস্কফোর্সের অভিযানে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় চিনি জব্দ দোয়ারাবাজারে বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় কসমেটিকস, সুপারি ও নাসির বিড়ি জব্ধ সিলেটে মুক্তিপণ আদায়কারীদের হাতে যুবক খুনের ঘটনায় ১ জন গ্রেফতার গোদাগাড়ীতে রিকশা চালককে গরম রড দিয়ে রাতভর নির্যাতন, গ্রেফতার ১। সরিষাবাড়ীতে আবারো সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা, মোবাইল ছিনতাই, ৯৯৯ এ কল

ক্ষমা পাওয়ার অন্যতম দিন মাগফিরাতের দশদিন।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২৫০ বার পড়া হয়েছে

 

মাওলানা শামীম আহমেদ পাবনা জেলা প্রতিনিধিঃ

‘আমি অবশ্যই ক্ষমাশীল তার প্রতি যে তওবা করে, ইমান আনে, সৎকর্ম করে ও সৎ পথে অবিচলিত থাকে।’ (সূরা তাহা, আয়াত: ৮২)

‘তুমি তোমার প্রতিপালকের প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করো এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি তওবা কবুলকারী।’ (সূরা নাসর, আয়াত: ৩)

‘রাসুল (সা.) এরশাদ করেন, আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, হে আমার বান্দাগণ! তোমরা রাতদিন অপরাধ করে থাকো। আর আমিই সব অপরাধ ক্ষমা করি। সুতরাং তোমরা আমার কাছে মাগফিরাত প্রার্থনা করো, আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দেব।’ (সহিহ মুসলিম- ৬৪৬)

পবিত্র রমজান মাসকে রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতে ভাগ করা হয়েছে। শুরু হলো রমজানের দ্বিতীয় দশক মাগফিরাত। মাগফিরাত অর্থ মার্জনা, আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা ও গোনাহ থেকে নিষ্কৃতি লাভ।

গোনাহ করা মানুষের স্বভাবজাত প্রবৃত্তি। মানুষ ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় গোনাহ করে। এটা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। অস্বাভাবিক হলো গুনাহের উপর বছরের পর বছর অটল থাকা এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা না করা।

যারা শয়তানের কুপ্ররোচনায় গোনাহ করে ফেলে এবং গোনাহ থেকে মাগফিরাত লাভ করতে পারে না তাদের জন্য মাগফিরাত লাভের বিশেষ সুযোগ হলো রমজানের দ্বিতীয় দশক অর্থাৎ মাগফিরাতের দশদিন। আল্লাহ রমজানের দ্বিতীয় দশকে বান্দাদেরকে বেশি হারে ক্ষমা করেন।

বিশেষ করে রমজানের এই দ্বিতীয় দশকে আপনিও এমন কাউকে ক্ষমা করে দিন, এমন ভেবে রেখেছেন- যাকে জীবনেও ক্ষমা করবেন না। দেখবেন আল্লাহও আপনার এমন পাপগুলোকে ক্ষমা করছেন, যেগুলো আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।

হজে বললে, “ক্ষমা করলে, ক্ষমা পাওয়া যায়।” আপনি অন্যান্য মানুষের থেকে পাওয়া কষ্টগুলোকে সহজে ক্ষমা করে দিন, আপনাকেও আল্লাহ ক্ষমা করে দেবেন সাথে সাথে আপনার মর্যাদাকেও বৃদ্ধি করে দেবেন। ক্ষমার মাধ্যমে মানুষিকভাবে উৎফুল্ল থাকা যায়, ক্ষমা না করলে সবসময় ডিপ্রেশনে ভুগতে হয়। আপনজনের দেওয়া কষ্টগুলো বা প্রতিশোধের আগুন বার বার হৃদয়ে পীড়া দিতে থাকে। ক্ষমার মাধ্যমে হৃদয় পরিষ্কার হয়, কষ্ট দূরীভূত হয়, মানুষিক প্রশান্তি মিলে। আর ক্ষমা করে দেওয়া অনেক বড় গুণ, যে গুণ মহান আল্লাহ তা’আলার। তিনি ঘোষণা করেছেন “আমি গাফফার, গাফুর।”

হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল (সা.) এরশাদ করেন, আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, হে আমার বান্দাগণ! তোমরা রাতদিন অপরাধ করে থাকো। আর আমিই সব অপরাধ ক্ষমা করি। সুতরাং তোমরা আমার কাছে মাগফিরাত প্রার্থনা করো, আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দেব। (সহিহ মুসলিম- ৬৪৬)।

রাসুল (সা.) সৃষ্টিজীবের জন্য রহমতস্বরূপ। তিনি আমাদের মাগফিরাত লাভের অন্যতম মাধ্যম। তাঁর প্রতি বেশি বেশি দরুদ পাঠ করলে ক্ষমা লাভের পথ সুগম হয়। তাই রমজানের মাগফিরাতের এই দশদিনে বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করা চাই।

হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল (সা.) বলেন, জিবরাইল (আ.) আমার কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! আপনাকে কি এই সংবাদ খুশি করে না যে, আপনার উম্মতের মধ্য থেকে যদি কোনো ব্যক্তি আপনার ওপর একবার দরুদ পাঠ করে তবে আমি তার জন্য দশবার মাগফিরাত চাইবো। আর কেউ যদি আপনাকে একবার সালাম পাঠায় আমি তার প্রতি দশবার সালাম পাঠাব। (নাসায়ি-১২৯৮)

গোনাহগার বান্দা অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করলে তিনি বান্দাকে ক্ষমা করেন। আল্লাহ হলেন পরম ক্ষমাশীল। তিনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন।
সেহরির সময়টুকু ক্ষমা লাভের বিশেষ এক মুহূর্ত। এই মুহূর্তে আল্লাহ তায়ালা অপেক্ষায় থাকেন বান্দাকে ক্ষমা করার জন্য। বান্দার কাজ হলো ইবাদতের মাধ্যমে মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।

হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আমাদের মর্যাদাবান প্রভু দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন এবং বলেন, যে আমাকে ডাকবে আমি তার ডাকে সাড়া দেব। যে আমার নিকট কিছু প্রার্থনা করবে আমি তাকে তা দান করব। যে আমার নিকট ক্ষমা চাইবে আমি তাকে ক্ষমা করে দেব। (মিশকাত- ১২২৩)।

আল্লাহ তায়ালা পরম ক্ষমাশীল। তিনি বান্দাদেরকে ব্যাপকহারে ক্ষমা করবেন বলেই রমজানের দ্বিতীয় দশদিন করেছেন মাগফিরাতময়। আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করতে প্রস্তুত। বান্দার করণীয় হলো গোনাহের ওপর অনুতপ্ত হওয়া এবং মহান আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়া।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized BY LatestNews